আজ মঙ্গলবার থেকে সারাদেশে একযোগে শুরু হয়েছে ২০২৬ সালের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমানের পরীক্ষা। সকাল থেকেই পরীক্ষার্থীদের পদচারণায় মুখরিত হয়ে উঠেছে পরীক্ষা কেন্দ্রগুলো। আগামী ২০ মে পর্যন্ত চলবে এই পরীক্ষা।
এ বছর ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ড, মাদ্রাসা এবং কারিগরি বোর্ডের অধীনে মোট ১৮ লাখ ৫৬ হাজার ২৬৪ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিচ্ছে। এর মধ্যে সাধারণ বোর্ডে ১৪ লাখ ১৮ হাজার ৩১৮ জন, মাদ্রাসা বোর্ডে ৩ লাখ ৩ হাজার ২৮৬ জন এবং কারিগরি বোর্ডে ১ লাখ ৩৪ হাজার ৬৬০ জন পরীক্ষার্থী রয়েছে। সারাদেশে মোট ৫,২৮০টি কেন্দ্রে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
পরীক্ষা উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন জানিয়েছেন, এবার পরীক্ষা ব্যবস্থাপনায় ব্যাপক কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে। বিশেষ করে খাতা মূল্যায়নের ক্ষেত্রে কোনো 'মানবিক নম্বর' দেওয়ার সুযোগ থাকছে না; উত্তরপত্রের মান অনুযায়ীই ফলাফল নির্ধারিত হবে।
পরীক্ষায় যেকোনো ধরনের অনিয়ম, জালিয়াতি বা প্রশ্ন ফাঁসের চেষ্টা রুখতে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। সচিবালয়ে জানানো হয়েছে, অপরাধীদের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক কঠোর ব্যবস্থা নিতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও বিশেষ গোয়েন্দা দল মাঠ পর্যায়ে সক্রিয় রয়েছে। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিনও পরীক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখতে সংশ্লিষ্ট সকলের সহযোগিতা কামনা করেছেন।
মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, পরীক্ষা শেষ হওয়ার পরবর্তী ৬০ দিনের মধ্যে ফলাফল প্রকাশ করা হবে। সেই হিসেবে আগামী জুলাই মাসেই শিক্ষার্থীরা তাদের কাঙ্ক্ষিত ফলাফল হাতে পাবেন।
বোর্ড ভিত্তিক অংশগ্রহণের পরিসংখ্যান:
সাধারণ বোর্ড: ছাত্র ৬,৬৭,৩০৫ জন এবং ছাত্রী ৭,৫১,০৯৩ জন।
মাদ্রাসা বোর্ড: ছাত্র ১,৬১,৪৯১ জন এবং ছাত্রী ১,৪২,৭৯৫ জন।
কারিগরি বোর্ড: ছাত্র ১,০১,৫০৯ জন এবং ছাত্রী ৩৩,১৫১ জন।