আইনমন্ত্রী আসাদুজ্জামান বলেছেন, “খুলনা থেকে কুষ্টিয়া পর্যন্ত সড়ক উন্নয়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে এবং কুষ্টিয়া-ঝিনাইদহ রেললাইন স্থাপন করা হবে। প্রত্যেক জেলায় অব্যবহৃত জমি কৃষিক্ষেত্র ও সৌর বিদ্যুৎ উৎপাদনে ব্যবহারের পরিকল্পনা রয়েছে, যাতে বিদ্যুতের ঘাটতি দূর হয় এবং কৃষি বিপ্লব সম্ভব হয়।”
বৃহস্পতিবার (২৪ এপ্রিল) ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের মিলনায়তনে ‘কেমন দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল চাই’ শীর্ষক উন্নয়ন সংলাপের অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। আয়োজন করে বৃহত্তর কুষ্টিয়া অফিসার্স কল্যাণ ফোরাম ঢাকা।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে আইনমন্ত্রী আসাদুজ্জামান বলেন, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম কুষ্টিয়া-ঝিনাইদহ করার দাবি তিনি সমর্থন করেন।
ইবির উপাচার্যকে অনুরোধ করে তিনি বলেন, জুলাই আন্দোলনে নিহতদের মধ্যে শহীদ ইয়ামিন একজন। তার স্মরণে বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি হলের নামকরণ করার আহ্বান জানান তিনি।
তিনি উল্লেখ করেন, বাংলাদেশের মানুষের ভোটের দাগ মুছে যাওয়ার আগেই প্রধানমন্ত্রী তার প্রতিশ্রুতি রক্ষা করেছেন। ১১ লক্ষ কৃষকের দেড় হাজার কোটি টাকা ঋণ মওকুফ করা হয়েছে।
এছাড়া ইমাম-মুয়াজ্জিন ও পুরোহিত-সেবকদের জন্য ভাতার ব্যবস্থা করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী ২৮টি গাড়ির পরিবর্তে ৪টি গাড়ির প্রটোকল ব্যবহার করে সরলতার উদাহরণ স্থাপন করেছেন।
তিনি বলেন, বিদ্যুৎ সমস্যা সমাধানে বিদ্যুৎমন্ত্রীর নেতৃত্বে বিরোধী দলীয় নেতৃবৃন্দদের নিয়ে ১০ সদস্যবিশিষ্ট কমিটি গঠন করা হয়েছে।
অনুষ্ঠানে বৃহত্তর কুষ্টিয়া অফিসার্স ফোরামের সভাপতি ড. খ ম কবিরুল ইসলামের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান এমপি। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ। আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খুলনা বিভাগের সংসদ সদস্যরা।
সংলাপে সভাপতিত্ব করেন ড. এ কে এম কবিরুল ইসলাম, সিনিয়র সচিব (পিআরএল) ও সভাপতি, বৃহত্তর কুষ্টিয়া অফিসার্স কল্যাণ ফোরাম ঢাকা।
অনুষ্ঠানে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের উন্নয়ন সম্ভাবনা, অবকাঠামোগত অগ্রগতি, শিক্ষা বিস্তার, শিল্পায়ন এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টিসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়। উপস্থিত বক্তারা এ অঞ্চলের টেকসই উন্নয়নে সমন্বিত পরিকল্পনা গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।