ময়মনসিংহের ভালুকা পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডে জমিসংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে মিথ্যা তথ্য দিয়ে অভিযোগ দায়েরের অভিযোগ উঠেছে একটি সংঘবদ্ধ ভূমিদস্যু চক্রের বিরুদ্ধে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা নকুল চন্দ্র মণ্ডল সম্প্রতি সাখাওয়াত হোসেন চয়ন নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে ৪০৩ নম্বর দাগভুক্ত জমি জবরদখল, জমিতে রোপিত চারা বিনষ্টসহ বিভিন্ন অভিযোগ এনে ইউএনও বরাবর একটি লিখিত আবেদন করেন।
তবে সরেজমিনে অনুসন্ধানে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উল্লিখিত জমিটি সাখাওয়াত হোসেন চয়নের বোনের মালিকানাধীন এবং জমিটি নিয়ে কোনো দখল বা মালিকানা সংক্রান্ত বিরোধের প্রমাণ মেলেনি। অভিযোগে উত্থাপিত ঘটনাগুলোরও কোনো বাস্তবতা খুঁজে পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছেন এলাকাবাসী।
এদিকে, অভিযোগ রয়েছে নকুল চন্দ্র মণ্ডল কেবল মিথ্যা অভিযোগ দায়ের করেই ক্ষান্ত হননি; বরং ওই অভিযোগপত্রকে ভিত্তি করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন পত্রিকায় বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার করছেন।
স্থানীয়দের দাবি, বিগত সময়ে রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে নকুল চন্দ্র মণ্ডল এলাকায় বিভিন্ন ব্যক্তির জমি দখল, সরকারি ড্রেন ও রাস্তার জায়গা দখল এবং জমির শ্রেণি পরিবর্তনের মতো নানা অনিয়মের সঙ্গে জড়িত ছিলেন। এসব অভিযোগে তার বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরেই জনমনে ক্ষোভ বিরাজ করছে।
এ বিষয়ে সাখাওয়াত হোসেন চয়ন বলেন, “আমার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। একটি ভুয়া অভিযোগকে কেন্দ্র করে আমার সম্মান ক্ষুণ্ন করার চেষ্টা করা হচ্ছে। আমি এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।” তিনি প্রশাসনের কাছে সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।
এলাকাবাসীরাও দ্রুত তদন্তের মাধ্যমে মিথ্যা অভিযোগকারীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত নকুল চন্দ্র মণ্ডলের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।