মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬
নাটোরে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যে খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের ইস্টার সানডে উদযাপিত

নাটোরে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যে খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের ইস্টার সানডে উদযাপিত

বিশেষ প্রতিনিধি

যথাযোগ্য ধর্মীয় মর্যাদা, ভাবগাম্ভীর্য ও আনন্দ-উচ্ছ্বাসের মধ্য দিয়ে নাটোরে খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের দ্বিতীয় বৃহত্তম ধর্মীয় উৎসব ‘ইস্টার সানডে’ পালিত হয়েছে। রোববার জেলার বিভিন্ন ধর্মপল্লীতে বিশেষ প্রার্থনা ও খ্রিস্টযাগের মাধ্যমে দিনটি উদযাপন করেন খ্রিস্টভক্তরা।

সবচাইতে বড় খ্রিস্টান ধর্মপল্লী বনপাড়া ‘লুর্দের রানী মা মারীয়া ক্যাথলিক চার্চে’ উৎসবের মূল আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়। এদিন সকাল ৭টা ও সকাল ৯টায় গির্জায় পৃথক দুটি প্রধান খ্রিস্টযাগ অনুষ্ঠিত হয়। প্রার্থনা পরিচালনা করেন প্রধান পাল-পুরোহিত ফাদার দিলীপ এস কস্তা। তাঁর সঙ্গে সহযোগিতায় ছিলেন সহকারী পাল-পুরোহিত ফাদার ডক্টর শংকর ডমিনিক গমেজ, ফাদার নিখিল এন্ড্রু গমেজ ও ফাদার আলবার্ট বকুল ক্রুশ।

 খ্রিস্টীয় বিশ্বাস মতে, মানবজাতির মুক্তিদাতারূপে আগত যীশু খ্রিস্ট দীর্ঘ ৪০ দিন যাতনা ভোগের পর ক্রুশবিদ্ধ হয়ে মৃত্যুবরণ করেন। মৃত্যুর তৃতীয় দিবস অর্থাৎ রবিবারে তিনি পুনরায় জীবিত হয়ে (পুনরুত্থান) ভক্তদের মাঝে ফিরে আসেন। এই পুনরুত্থানের আনন্দ স্মরণ করতেই ইস্টার সানডে পালন করা হয়। উল্লেখ্য যে, এই দিনটির আগে অনুসারীরা দীর্ঘ ৪০ দিন উপবাস ও সংযম (রোজা) পালন করেন।

গির্জার আনুষ্ঠানিক প্রার্থনা শেষে খ্রিস্টভক্তরা নিজ নিজ এলাকায় সামাজিক বৈঠকে অংশ নেন। বড়দের আশীর্বাদ গ্রহণ এবং একে অপরের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময়ের মাধ্যমে উৎসবের আনন্দ ছড়িয়ে পড়ে। দিনটি উপলক্ষে প্রতিটি বাড়িতেই বিশেষ খাবারের আয়োজন করা হয় এবং আত্মীয়-স্বজনদের মিলনমেলায় মুখরিত হয়ে ওঠে খ্রিস্টান পল্লীগুলো।শান্তি ও সম্প্রীতির প্রার্থনা এবং যীশু খ্রিস্টের আদর্শ অনুসরণের আহ্বানের মধ্য দিয়ে নাটোরে সমাপ্ত হয় ইস্টার সানডের আনুষ্ঠানিকতা।

প্রধান উপদেষ্টা : ইমাম হোসেন, নয়া সংবাদ মিডিয়া লিমিটেডের পক্ষে প্রকাশক কর্তৃক ৩৩, তোপখানা রোড, রমনা, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত.

প্রিন্ট করুন