শ্রীমঙ্গলে আলোচিত শাপলাবাগ এর ঘটনার শীর্ষ সন্ত্রাসী রুয়েলসহ ৫জন গ্রেপ্তার
মৌলভীবাজার জেলার শ্রীমঙ্গল থানা পুলিশের অভিযানে শাপলাবাগ এলাকার শীর্ষ সন্তাসী রুয়েল মিয়া ওরফে মোস্তফা (২৬) দীর্ঘদিন ধরে শ্রীমঙ্গল এর শাপলাবাগ ও সোনারবাংলা রোড়, রেলস্টেশন এলাকার একটি সন্ত্রাসী চক্র তৈরি করে মানুষকে বিভিন্ন ভাবে অত্যাচার করে আসছে, গত ১২ই এপ্রিল রাতের বেলা শাপলাবাগ রেলওয়ে এলকায় সিএনজি শ্রমিক ইউনিয়ন এর সহ-সভাপতি লুৎফর রহমানকে মারপিট করে দেশীয় অস্ত্র দ্বারা আহত করে। ঘটনার পরে সে আত্মগোপনে চলে যায়। পরবর্তিতে শ্রীমঙ্গল থানা পুলিশ RAB-9, RAB ১০ এর সহযোগিতায় ঢাকা জেলার কেরানীগঞ্জ থানা এলাকা হতে ইং ২৩শে এপ্রিল শীর্ষ সন্ত্রাসী রুয়েল মিয়া রুহেল ওরফে মোস্তফা (২৬), পিতাঃ আছই মিয়া, মাতাঃ জড়িনা বেগম ওরপে সুন্দরি, সাং সোনার বাংলা রোড, এবং রুয়েলের সহযোগী ঘটনায় সরাসরি জড়িত রাশেদ মিয়া (২৬), পিতাঁ রহিম মিয়া, মাতাঃ জোসনা বেগম, সাং শাপলাবাগ, উভয় থানা: শ্রীমঙ্গল, জেলাঃ মৌলভীবাজারসহ গ্রেপ্তার করা হয়। আসামি রুহেল মিয়া ওরফে রুহেল ওরফে মোস্তফা (২৬) এর বিরুদ্ধে ১০টি এবং আসামী রাশেদ মিয়া (২৬) এর বিরুদ্ধে ৮ টি মামলা শ্রীমঙ্গলসহ বিভিন্ন থানায় রয়েছে। ইতিপূর্বে উক্ত ঘটনায় জড়িত আরো ৬ জনকে গ্রেপ্তার করে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
তাছাড়া অপর এক অভিযানে শ্রীমঙ্গলের আলোচিত শিশু জুনায়েদ মিয়া ১৫) হত্যার মূল আসামী আলামিন (২২) পিতাঃ আহাদ মিয়া, মাতাঃ বকুল বেগম, সাং আলিশারকুল, থানাঃ শ্রীমঙ্গল, জেলাঃ মৌলভীবাজারকে শ্রীমঙ্গল থানার এসআই সজীব চৌধুরী, গ্রেফতার করেন। গত ২৭ মার্চ আলামিনের নেতৃত্বে শিশু জুনায়েদ মিয়া (১৫) কে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে মৃতদেহ জঙ্গলে লুকিয়ে রাখে। অজ্ঞাত নামা আসামীদের বিরুদ্ধে থানায় মামলা রুজুর পর শ্রীমঙ্গল থানা পুলিশ বিভিন্ন অভিযান করে ইতিপূর্বে ০৪ জন আসামী গ্রেপ্তার করে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ কের। আসামীরা বিজ্ঞ আদালতে কাঃ বিঃ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তি মূলক জবানবন্দি প্রদান করেন। জবান বন্দির ভিত্তিতে হত্যা মামলার মূল পরিকল্পনাকারী আলামিন( ২২) কে সুনামগঞ্জ জেলার প্রত্যন্ত গ্রাম অঞ্চল হতে অভিযান করে ২৩শে এপ্রিল ভোর বেলা গ্রেপ্তার করা হয়। শিশু জুনায়েদ মিয়া হত্যা মামলা জড়িত ৫ জনকে ইতিমধ্যে গ্রেপ্তার করে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
আপনার মতামত লিখুন