ইরানি তেলের ওপর নিষেধাজ্ঞা শিথিলের কথা ভাবছে যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনার মধ্যে বৈশ্বিক তেলের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে ইরানি তেলের ওপর নিষেধাজ্ঞা শিথিল করার কথা ভাবছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন ট্রেজারি সেক্রেটারি স্কট বেসেন্ট জানিয়েছেন, সমুদ্রে আটকে থাকা প্রায় ১৪০ মিলিয়ন ব্যারেল ইরানি তেল বাজারে ছাড়ার সিদ্ধান্ত খুব শিগগিরই নেওয়া হতে পারে।
তার মতে, এই তেল যুক্ত হলে ১০ দিন থেকে দুই সপ্তাহ পর্যন্ত বৈশ্বিক বাজারে সরবরাহ ভালো থাকবে। এটি তেলের দাম কমাতে সহায়ক হবে। সাম্প্রতি হরমুজ প্রণালী বন্ধ থাকা এবং ট্যাংকারে হামলার কারণে তেলের দাম ব্যারেল প্রতি ১০০ ডলারের ওপরে উঠে গেছে।
এর আগে, একইভাবে নিষেধাজ্ঞায় আটকে থাকা রাশিয়ার তেল বাজারে ছাড়ার উদ্যোগ নিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র, যা বৈশ্বিক সরবরাহ বাড়াতে ভূমিকা রেখেছিল।
স্কট বেসেন্ট আরও বলেন, 'বাজার ঘাটতি পূরণে যুক্তরাষ্ট্র কৌশলগত তেল মজুদ থেকেও তেল ছাড়তে পারে। পাশাপাশি প্রতিদিন ১০-১৪ মিলিয়ন ব্যারেলের ঘাটতি পূরণে অন্যান্য পদক্ষেপও নেওয়া হবে'।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যৌথভাবে ইরানে হামলা শুরুর পর থেকে অপরিশোধিত তেলের দাম প্রায় ৬০ শতাংশ পর্যন্ত বেড়েছে।
ইউরোপে গ্যাসের দামও তীব্রভাবে বেড়েছে। ডাচ পাইকারি গ্যাসের মূল্য ২৪ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে মেগাওয়াট-ঘণ্টাপ্রতি ৬৮ ইউরোতে দাঁড়িয়েছে, যা ২০২২ সালের ডিসেম্বরের পর সর্বোচ্চ।
এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির সঙ্গে বৈঠকে বসছেন। আলোচনায় জাপানের নৌবাহিনীকে হরমুজ প্রণালীতে জাহাজ চলাচল নিরাপদ রাখতে যুক্ত করার বিষয়টিও গুরুত্ব পেতে পারে।
আপনার মতামত লিখুন