শৈলকুপায় এক হাজার ৬৭৯ কৃষকের হাতে কৃষক কার্ড তুলে দিলেন আইনমন্ত্রী
মঙ্গলবার দুপুরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ভার্চুয়ালি এই কর্মসূচির উদ্বোধন করার পর, শৈলকুপার কৃপালপুর স্কুল মাঠে এক হাজার ৬৭৯ জন কৃষকের হাতে কৃষক কার্ড তুলে দেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান।
ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলায় কৃষকদের ভাগ্য বদলে ডিজিটাল কৃষি সেবার নতুন অধ্যায় শুরু হয়েছে। মঙ্গলবার দুপুরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ভার্চুয়ালি এই কর্মসূচির উদ্বোধন করার পর, শৈলকুপার কৃপালপুর স্কুল মাঠে এক হাজার ৬৭৯ জন কৃষকের হাতে কৃষক কার্ড তুলে দেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। জেলা প্রশাসনের তত্ত্বাবধানে দেশের ১০টি জেলার ১১টি স্পটে একযোগে এই কার্যক্রমের সূচনা করা হয়।
কার্ড বিতরণ শেষে আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেন, "জনগণের আমানত সরাসরি জনগণের কাছে পৌঁছে দিতে এই কার্ডের ব্যবস্থা করা হয়েছে। এখানে রাজনৈতিক কোনো প্রভাব বা দুর্নীতির সুযোগ রাখা হয়নি। প্রকল্পের আওতায় দেশের প্রতিটি কৃষক, নারী ও পরিবারপ্রধানকে অন্তর্ভুক্ত করা হবে।" কোনো প্রকার অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া গেলে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও তিনি হুঁশিয়ারি প্রদান করেন।
অনুষ্ঠানে আইনমন্ত্রী সংসদীয় কার্যক্রম নিয়েও কথা বলেন। বিরোধী দলের সময়ের অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি মন্তব্য করেন যে, নিয়ম অনুযায়ী তাদের প্রাপ্য সময়ের চেয়ে বেশি সময় দেওয়া হচ্ছে। দুই মিনিটের স্থলে তাদের ১৫ মিনিট পর্যন্ত কথা বলার সুযোগ দেওয়া হয়েছে, তাই সময়ের অভাব নিয়ে করা অভিযোগগুলো কেবলই রাজনৈতিক বক্তব্য।
জেলা প্রশাসক নোমান হোসেনের সভাপতিত্বে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সুপার মাহফুজ আফজাল, জেলা পরিষদের প্রশাসক এমএ মজিদ, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জাহিদুজ্জামান মনা এবং জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. কামরুজ্জামানসহ স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও সর্বস্তরের কৃষক সমাজ।
আপনার মতামত লিখুন