হবিগঞ্জে সরকারী জায়গায় দোকান বসিয়ে ভাগ খাচ্ছেন ইউনিয়ন বিএনপির এক নেতা
ফুটপাতে দোকান আর বাড়ির পাশে করাঙ্গীতে অবৈধ বালু উত্তোলনের ভূমিকায় রুকন আহমেদ নামের এক নকশেবন্দি ব্যক্তির নাম লোকমুখে সমালোচনার ঝড় উঠেছে। কখনো ভাগনা আবার কখনো নিকটতম আত্মীয় পরিচয় দিয়ে আদায় করা হচ্ছে মাসোহারা চাঁদা। সরকার দল ও স্থানীয় প্রভাবশালী গ্রামের বাসিন্দা শক্তির আড়ালে দিনদিন অপকর্মের ঘটনা প্রকাশ পেতে শুরু করেছে। একাধিক গোপনীয় তথ্য সূত্রে জানা যায়, সে বাহুবল উপজেলার কবিরপুর গ্রামের বাসিন্দা। মাত্র কয়েক বছর আগেও আর্ট শিল্পী হিসেবে কাজ করেছিল। কাজের উপর ছিল সংসার চালানোর ভরসা। এমতাবস্থায়,বিএনপি নেতাকর্মীদের পাশে আস্তে আস্তে মিশতে শুরু করে। দলীয় নেতাকর্মীদের সাথে ঘুরতে ঘুরতে হয়ে যায় বাহুবল সদর ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক। দলীয় সূত্র জানা যায়, দলের দুর্দিনে আড়ালে থাকা ওই ব্যক্তি এখন মাসে ৩০ থেকে ৩৫ হাজার টাকা আয় কোন পুজি ছাড়াই লাভের হাসি ফুটছে। নাম প্রকাশ না করার শর্তে ব্রিজ সংলগ্ন একাধিক ব্যক্তি জানান,সরকারি সড়কে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে কয়েকটি দোকান বসিয়ে দেওয়া হয়েছে আর ওই দোকান থেকে প্রতি মাসে আদায় করা হচ্ছে জনপ্রতি ৪ থেকে হাজার া াট। এ নিয়ে দলীয় নেতাকর্মীদের মাঝে বিরূপ প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। এতে দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হওয়ার সম্ভাবনা আছে বলে অনেকেই দাবি জানিয়েছেন।
আপনার মতামত লিখুন